1. চিকিৎসক প্রথমে রোগীর নাম,বয়স,বিবাহিত অবস্থা,পেশা ও ঠিকানা লিখবেন।
2. রোগী নিজেই চিকিৎসকের কাছে তার রোগ যন্ত্রনার কথা বলবে এবং চিকিৎসক রোগীর বন্ধু-বান্ধব,আত্মীয়-স্বজন বা পরিচর্যাকারীর কাছ থেকে শুনবেন।
3. তারপর চিকিৎসক রোগীর বন্ধু-বান্ধব,আত্মীয়-স্বজন বা পরিচর্যাকারীর কাছ থেকে শুনবেন।
4. রোগী যে ভাষায় বর্ণনা করে সেভাবেই লিপিবদ্ধ করতে হবে।
5. তারপর চিকিৎসকের কিছু জানার থাকলে তা অন্য সকলের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করবেন।
6. টিকিৎসককে ধৈর্য ও মনোযোগের সাথে রোগীকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করবেন।
7.রোগীকে পরীক্ষার সময় তার দৈহিক গঠন,মানসিক লক্ষণ,ইচ্ছা অনিচ্ছা প্রভৃতি বিষয়ে জানতে হবে।
8.চিকিৎসক রোগীকে এমনভাবে প্রশ্ন করবেন না যাতে রোগী হ্যাঁ বা না বলে উত্তর দেয়।
9. রোগীর বর্ণিত প্রত্যেকটি লক্ষণের বিবরণ অবস্থান ও হ্রাস বৃদ্ধি সম্বন্ধে জানতে হবে।
10. রোগীর বর্ণিত বিষয় লিখার সময় ফাঁকা রাখতে হবে যাতে পরে চিকিৎসক,অজানা লক্ষণাবলী সে স্থানে লিখতে পারে।
11.রোগী পূর্বে কোন চিকিৎসকের অধীনে ঔষধ খেয়ে থাকলে তা জানতে হবে।
পরিশেষে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করার পর চিকিৎসক নিজে রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে যে সমস্ত বিষয় জানবেন তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। যেমন: রোগীর দৈহিক গঠন,আচরণ,ইচ্ছা-অনিচ্ছা,কিংবা নাড়ীর গতি প্রকৃতি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার পর তা লিপিবদ্ধ করতে হবে।


No comments:
Post a Comment